ছয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ দাম কমল এলপিজির

ভোক্তা পর্যায়ে বেসরকারি খাতের তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম ছয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ কমানো হয়েছে।

চলতি আগস্টের জন্য প্রতি ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৯১ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ২৭৩ টাকা। পাশাপাশি অটোগ্যাসের দাম ৪ টাকা ১৮ পয়সা কমিয়ে ৫৮ টাকা ২৮ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) গতকাল বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নতুন এ দাম ঘোষণা করে। গতকাল সন্ধ্যা ৬টা থেকেই নতুন দর কার্যকর হয়েছে বলে জানানো হয় বিজ্ঞপ্তিতে।

বিইআরসি প্রতি মাসেই এলপিজির দাম নির্ধারণ করে। তবে বাজারে নির্ধারিত দামে এলপিজি বিক্রি না হওয়ার অভিযোগ আছে। এলপিজির ১২ কেজি সিলিন্ডার সবচেয়ে বেশি গৃহস্থালির কাজে ব্যবহার হয়।

সংস্থাটির নতুন দর অনুযায়ী, বেসরকারি এলপিজির মূল্য সংযোজন করসহ (মূসক বা ভ্যাট) দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি কেজি ১০৬ টাকা ১১ পয়সা। গত মাসে তা ১১৩ টাকা ৬৪ পয়সা ছিল। অর্থাৎ এ মাসে কেজিতে দাম কমেছে ৭ টাকা ৫৩ পয়সা। এ হিসাবে বিভিন্ন আকারের এলপিজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারিত হবে। বাজারে বিভিন্ন আকারের এলপিজি সিলিন্ডার পাওয়া যায়।

সরকারি কোম্পানির সরবরাহ করা এলপিজির সাড়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৮২৫ টাকা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। অন্যদিকে গাড়িতে ব্যবহৃত এলপিজির (অটোগ্যাস) দাম প্রতি লিটার ৫৮ টাকা ২৮ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত মাসে তা ছিল ৬২ টাকা ৪৬ পয়সা।

এলপিজির দাম ২০২১ সালের এপ্রিল থেকে নির্ধারণ করে আসছে বিইআরসি। প্রতি মাসে এলপিজির দুই উপাদান প্রোপেন ও বিউটেনের মূল্য প্রকাশ করে সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠান আরামকো। এটি সৌদি কার্গো মূল্য (সিপি) নামে পরিচিত। এ সৌদি সিপিকে ভিত্তিমূল্য ধরে দেশে এলপিজির দাম সমন্বয় করে বিইআরসি। আমদানিকারক কোম্পানির চালান (ইনভয়েস) মূল্য থেকে গড় করে পুরো মাসের জন্য ডলারের দাম হিসাব করে সংস্থাটি।

আরও